• চাঁদপুর, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে উন্নত দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক / ১০৫ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১

রক্তস্নাত যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে যে বীর সন্তানরা সেদিন বিজয়ের ভোর এনেছিলেন, তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতি স্মরণ করেছে। বৃহস্পতিবার মহান বিজয়ের ৫০তম গৌরবের দিনে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ আর লাখ লাখ সম্ভ্রম হারানো মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারা দেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। লাল-সবুজের উৎসবে আরও সমৃদ্ধিশালী ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেওয়া হয়। এদিন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করা হয়। বিজয় দিবসের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষ উৎসবে মেতে ওঠে।

ভোর সাড়ে ৬টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনপর্ব শুরু হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে জাতির পক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা জানান। এরপর বীর শহিদদের স্মরণে সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সুসজ্জিত দল রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় এবং বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়। একই সময়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সর্বস্তরের মানুষ। এছাড়া বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বীর শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে সারা দেশের স্মৃতিসৌধগুলোয় ফুল, জাতীয় পতাকা, বাহুবন্ধনী ও প্ল্যাকার্ড হাতে সব বয়েসি মানুষ উপস্থিত হন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত বাংলাদেশকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার সংকল্পে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃপ্তকণ্ঠের সঙ্গে গোটা জাতি শপথ নেয়। বিকালে অনুষ্ঠিত এ শপথে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ জাতীয় সংগীতের বাণীকে বুকে ধারণ করে মৌলবাদসহ সব অপশক্তিকে রুখে দেওয়ার দৃঢ়তা প্রকাশ পায়। সব বাধা-বৈষম্য পেরিয়ে দলমত-নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে এক উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সংকল্প ছিল সবার মনের গহিনে।

বিজয়ের এ দিনে সারা দেশ ছিল উৎসবমুখর। সারা দিন শহরের পাড়া-মহল্লা, ক্লাব, হাটবাজার ও গ্রামগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ও দেশাত্মবোধক গান বেজেছে। বিভিন্ন ভবনে জাতীয় পতাকা তোলা হয়। ঝাড়বাতি ও রং-বেরঙের পতাকায় ভবন, বাড়ি, সড়ক, সড়কদ্বীপ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শহিদদের আত্মার শান্তি, জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাদের নিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন


এ জাতীয় আরো খবর..

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১