• চাঁদপুর, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

কচুয়ায় সম্পত্তির সীমানাকে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৪

শান্তুু ধর,কচুয়া / ৫৫৭ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

কচুয়ায় সম্পত্তির সীমানাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও শিশুসহ ৪ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার দড়িলক্ষ্মীপুর গ্রামের মুন্সী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় আহতের মোঃ সিহাব উদ্দিনের স্ত্রী মোসাঃ নাছরিন আক্তার (২৪) বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৪।

আহতরা হলেন দড়িলক্ষ্মীপুর গ্রামের মুন্সী বাড়ির মৃত আলী আশ্রাফের ছেলে মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ সিহাব উদ্দিনের ছেলে মোঃ আবদুল্লা আল সাজিদ (৩), মৃত আলী আশ্রাফের ছেলে মোঃ সিহাব উদ্দিন, মোঃ সিহাব উদ্দিনের ছেলে মোঃ আবদুল্লা আল সিফাত (৬)। এদের মধ্যে মোঃ আবুল হোসেনকে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এবং মোঃ আবদুল্লা আল সাজিদ (৩) অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিগত ৩১/০৮/২১ ইং মঙ্গলবার দুপুরে বসত বাড়ির দক্ষিণ পাশের রাস্তার উপর সম্পদের সীমানাকে কেন্দ্র করে মোসাঃ নাছরিন আক্তারের পরিবারের সঙ্গে একই বাড়ির বিবাদী মোঃ সফিউল্ল্যা ছেলে মোঃ মফিজুল ইসলাম,মোঃ তাজুল ইসলাম,মোঃ ফখরুল ইসলাম,মোঃ নুরুল ইসলাম,মৃত-ফরিজ উদ্দিন ছেলে মোঃ সফিউল্ল্যা,মৃত-মোঃ সফিউল্ল্যা স্ত্রী মোসাঃ পারুল বেগম,মোসাঃ গোলবাহার বেগম এর সম্পদের সীমানার জের ধরে প্রায় সময় ১-৪ জন স্বাক্ষীদের প্রান নাশের মারাত্মক হুমকি প্রদর্শন করে। এরই সুত্র ধরে ৩১ আগষ্ট দুপুরে বিবাধীরা ধারালো দা, ছেনি, লোহার রড, জি.আই পাইপ, কাঠের আদল, দেশীয় ধারালো অস্ত্র-সস্ত্র ও লাইলংয়ের রশি নিয়ে সকলে ক্ষিপ্ত ও উত্তেজিত হয়ে ১নং স্বাক্ষী মোঃ আবুল হোসেনকে একা পেয়ে এর উপর অর্তকিত হামলা চালায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটাইয়া জখম করে।

১নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা ১নং স্বাক্ষীকে জীবনের তরে হত্যা করার অসৎ উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করলে ১নং স্বাক্ষী একটু সরে গেলে তার ডান হাতের সিনার জয়েন্টে পড়লে মারাত্মক হাড় ভাঙ্গা জখম হয়। ১নং স্বাক্ষী আবুল হোসেনকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কতর্ব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে ৪ সেপ্টেম্বর বিকালে বাদী নাছরিন আক্তারের উঠানে উল্লেখিত বিবাদীগণ ধারালো দা, ছেনি, লোহার রড, জি.আই পাইপ, কাঠের আদল, দেশীয় ধারালো অস্ত্র-সস্ত্র ও লাইলংয়ের রশি নিয়ে পূণরায় ২নং স্বাক্ষী আবদুল্লা আল সাজিদ, ৩নং স্বাক্ষী মোঃ সিহাব উদ্দিন ও ৪নং স্বাক্ষী মোঃ আবদুল্লা আল সিফাত এর উপর অর্তকিত হামলা চালায় এবং মারাত্মক গুরুত্ব নীলা ফুলা জখম করে। ২নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো ছেনি দিয়ে বাদীকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথার বাম পাশে কোব মারলে মারাত্মক কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। এতে তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়, কাটা স্থানে ৪টি সেলাই দেওয়া হয়। ৩নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে ২নং স্বাক্ষী যার আনুমানিক বয়স ৩বছর এর মাথায় কোব মেরে রক্তাক্ত জখম করে। ৪নং বিবাদীর হাতে থাকা লাইলং এর রশি দিয়ে বাদীনির গলার চারিদিকে রশি পেচাইয়া বেঁধে রাখে। ফলে বাদীনির গলায় রক্ত জমাট লাল দাগ পড়ে। ৫নং বিবাদীর হাতে রড দিয়ে আঘাত করে নীলাফুলা জখম করে। একপর্যায়ে ১নং বিবাদী বাদীনি পড়নের কাপড়-চোপড় টানা-হেচড়া করে অর্ধ উলঙ্গ করে শ্লীনতাহানী করে। বিবাদীরা বসত ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে চুড়ে আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীতে বাদীদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাদের অবস্থা অবনতি দেখলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত আবুল হোসেন জানান, বিবাদীরা বিভিন্ন সময় কারনে অকারনে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে আমাকে এবং আমার পরিবারের উপর নির্যাতন ও হুমকি দমকি প্রদর্শন করত। তাদের অত্যাচারে আমার পরিবার পরিজন অতিষ্ট।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহিউদ্দিন জানান, মামলার পরিপেক্ষিতে আমরা ১জনকে গ্রেফতার করেছি। বাকী আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বিবাদীদের কয়েকবার তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের সাথে কোন রকম যোগাযোগ করা যায় নি।

E/N

আপনার মতামত লিখুন


এ জাতীয় আরো খবর..

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০