• চাঁদপুর, বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
ব্রেকিং নিউজ

ফেরি করে মাছ বিক্রি করা ছেলেটির স্বপ্ন সরকারি চাকরির

খালেকুজ্জামান শামীম / ২৩৬ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১

ফেরি করে মাছ বিক্রি করে চলছে লেখা পড়া। ঘরে অসুস্থ্য বাবা। তার খরচ ও জোগাড় করতে হচ্ছে। মা তুলশী রানীকে ছোট বেলাই হারিয়েছে সে। জীবন যুদ্ধে এমন কঠিন সময় পার করছে কলেজের গন্ডি। ২০১৮ সালে এসএসসি ২০২০ সালে এইচএসসি পাশ করে এখন মেহের ডিগ্রি কলেজে বিবিএসএসের ছাত্র। সকাল বেলা আড়ৎ থেকে মাছ কিনে আবার বাড়ি বাড়ি ফেরি করে ওই মাছ বিক্রি করা এই ছাত্রের নাম সজিব চন্দ্র দাস।

সে হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯ নং গন্ধ্যর্বপুর (উ:) ইউনিয়নের গন্ধ্যর্বপুর গ্রামের রাধেরশাম চন্দ্র দাসের ছেলে। ২ ভাই ২ বোনের মধ্যে সে সবার ছোট।

গ্রামে মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফিরতেই কথা হয় তার সাথে। মাছ বিক্রি করে লেখা পড়া করে হতে চায় সরকারী চাকুরীজীবি ।
বৃহস্পতিবার স্বপ্নের কথা গুলো বলতে গিয়ে বলেন, আমার ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন বড় অফিসার হওয়া। তাই সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে অসুস্থ্য বাবাকে সাথে নিয়ে মাছ ফেরি করে সংসার চালাচ্ছি আর সাথে পড়া লেখাটা ছালিয়ে যাচ্ছি। সজিব জানায়, সকালে আড়ৎ থেকে মাছ বিক্রি করে বাড়ি বাড়ি ফেরি করে বিক্রি করে দৈনিক ৩০০ টাকা আয হয়। এতে বাবাকে নিয়ে ছলে সংসার। আর আমার লেখা পড়া। তবে এ পর্যন্ত সরকারি কোন সহায়তা আমি পাইনি। আমি যদি একটু সহযোগীতা পাই লক্ষ্যে পৌছতে পারবো।

বাবা রাধেরশাম চন্দ্র দাস বলেন, ছোট বেলা থেকে তার ইচ্ছা বড় অফিসার হবে। কিন্তু সামর্থ না থাকায় ভালো করে পড়াতে পারছিনা। সে নিজের চেস্টায় ডিগ্রী পর্যন্ত গিয়েছে। সরকারের সহায়তা পেলে হয়ত লেখা পড়াটা ভালোভাবে শেষ করতে পারবে।

কাঁকৈতলা জনতা কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল হক পাটোয়ারির বলেন, সজিব আমাদের ছাত্র ছিল। সে খুবই অসহায় এবং মেধাবি। আর্থিক অনটনের কারণে বেশিদুর এগুতে পারছেনা। আমাদের কলেজে থাকতে যতটুকু সম্ভব সহায়তা করছি। এখন সরকার এগিয়ে আসলে হয় ত তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, আমি জানি সে কস্ট করে লেখাপড়া করে। যতদুর সম্ভব সহায়তা করব।

আপনার মতামত লিখুন


এ জাতীয় আরো খবর..

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১