• চাঁদপুর, বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
ব্রেকিং নিউজ

অবহেলিত জনপদের সাহিত্যের কথা

পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক / ১১২ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১

কুড়িগ্রাম নামটি উচ্চারিত হবার সাথে সাথেই মানুষের মনে একটা ছবি ভেসে ওঠে। বন্যা, অভাব, শীত আর খড়ায় ভাঙা থালি আর ছেড়া থলে হাতে পথে ঘাটে মানুষের আহাজারীর নামই কুড়িগ্রাম। আসলে চিত্রটা যে ভিন্ন সেখবর শহরের ভদ্রপাড়ায় খুব একটা পৌঁছায়নি। প্রযুক্তির সুবাদে এখন দু’চারজনের কথা সামনে চলে এলেও বাকিরা এখনো গহিণে লুকিয়েই আছেন।

আমাদের কাছে খবর নেই কুড়িগ্রামেরই সন্তান শ্রীকৃষ্ণ জীবন দাসের লেখালেখির কথা। তিনি ছিলেন রাজা রামকৃষ্ণের সভাসদ। তাঁর লেখা ‘দূর্গামঙ্গল’ বা অম্বিকামঙ্গল ১২২৬ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। বহুল আলোচিত ‘ভগবতির শতনাম’ পালাগানটি কুড়িগ্রামের বাহারবন্দ পরগনার উলিপুর থেকে ১২৪৩ বঙ্গাব্দে আবিস্কৃত হয়। এ সকল গান হিন্দু মুসলিম উভয় কুলের গিদালগন পরিবেশণ করতেন। নদী ঘেড়া রৌমারীর কশব উদ্দিন মোক্তার সাহিত্যে অবদান রাখেন। তার প্রকাশিত একটি পুস্তক ব্রিটিশরাজ বেআইনী ঘোষণা করেছিল।

সৈয়দ শামসুল হকের কথা আমরা জানি। পা ফাটা দাদওয়ালা জনপদ থেকে ঢাকায় আশ্রিত হওয়া একজন কিশোর ঢাকার তাবদ জাদরেলেদের ছাপিয়ে সেই ষাটের দশকেই প্রভাবশালী হয়ে উঠেন। তাঁর কৃত সাহিত্য তাঁর অনুকুলে অন্যদের জায়গা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল। মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরুস্কার তাঁর হাতে উঠেছিল। যাঁর ঝুলিতে স্বাধীনতা পদকসহ দেশের সবগুলো সর্বোচ্চ বেসরকারি পদক। তাঁর পিতা চিকিৎসক সৈয়দ সিদ্দিক হোসেন নিজেও লিখতেন। সেই যুগে তিনি চিকিৎসা ও সামাজিক বিষয় নিয়ে ছ/সাতখানা পুস্তক লিখেছিলেন।

লালসালুখ্যাত সৈয়দ ওয়ালিউল্যাহ এই কুড়িগ্রামে তাঁর বালক বেলায় সাহিত্যের সূচনা করেছিলেন। তিনি দশম শ্রেণি পর্যন্ত কুড়িগ্রাম শহরে পড়ালেখা করেছেন। কবি শেখর কালিদাস এই কুড়িগ্রামের উলিপুরে ১৯২০ থেকে ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মহারাণী স্বর্ণময়ী স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯২০ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের অধিবেশনে তিনি উলিপুরের মহারানী সত্যবতীর জীবনী অবলম্বনে একটি অনন্য কবিতা লিখে উপস্থিত সকলকে চমৎকৃত করেছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর

E/N

আপনার মতামত লিখুন


এ জাতীয় আরো খবর..

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১